নি:শ্বাসের কতৃত্ব্য আজ মাস্কে
হাসিব আহমেদ ২৯ মার্চ ২০২০
আমি কি আজ আমারদের পৃথিবীতে মুক্ত খোলা মুখে নি:শ্বাস নেবার অধিকারটুকুও হারিয়ে ফেললাম? স্পর্শ কি তাহলে ট্যাবু হয়ে যাবে? মাস্কের জন্য আসলে কাকে দোষ দিবো? অনেকদিনের প্রতিবাদ ছিল আমাদের মতন শহুরে পরিবেশ নিয়ে দু চার মিনিট সময় দেয়া মানুষদের। অনেকদিনের আশঙ্কা আজকে হরোর মুভির চিত্রনাট্য লিখে যাচ্ছে বাস্তবতার কালি দিয়ে। এই যে আজকে এরকম পর্যায়ে চলে আসাটা এর চর্চা টা তো একদিনে হয়নি, সেটা অনেকদিনের অবহেলার বহি:প্রকাশ। ঢিলটি মারলে যদি ফিরতি পাটকেল খেতে হয়, কি হবে আমি একটু না মানলে এরুপ অবিবেচনার দায়ভার তো অনেক কিছুই হবে। এই যে জলবায়ু , সেটা তো আমাদের দ্বারাই চরমভাবে নিগৃহিত। আচ্ছা এসব অনেকদিনের পুরোনো অনুযোগের কথা আবার নতুন করে বলা যাবে পরে। ধরেন আপনাদের প্রত্যেকের বাসায় যদি নাও থাকে, নিকট স্বজনদের ঘরে ছোট বাড়ন্ত বয়সের বাচ্চা নিশ্চই আছে। আর যাদের প্রতি আপনার একটা সুনির্দিষ্ট দায়বদ্ধতাও আছে। এই যে আজকের বিশ্ব পুরোটাই মাস্কে আর গ্লাভসে ঢাকা পরে গেছে, খোলা মুখে বাহিরে বের হবার সাহসটা বোধ হয় আর বেশিদিন আমরা পাবো না! আপনার আদরের সন্তান ফিল্টারে নি:শ্বাস নেয়াকে অবজ্ঞা করে আপনাকে প্রশ্ন করবে, কেন আজ আমাদেরকে মাস্ক পরতে হয়? কেন পৃথিবীর পরিবেশ এতটা দূষিত হলো? কেন জলবায়ু এতটা হুমকির মুখে? হয়তো আমরা প্রত্যেকেই তাদের এসব কেন হয়, কি কারনে হয় সব বুঝিয়ে বলতে পারবো। কারন আমাদের তো মুখে বলা ছাড়া আর কোন পথও খোলা নাই। কিন্তু যখন তারা আপনাকে প্রশ্ন করবে, এসবের বিরুদ্ধে সময় সুযোগ থাকা সত্বেও কেন সোচ্চার হওনি? তোমরা কেনো যত্নশীল হওনি এই পৃথিবীর এবং এর পরিবেশের প্রতি? অথবা তুমি নিজে কি করেছিলে পরিবেশ রক্ষার জন্য? আমাদের মধ্যে সিংহভাগ মানুষই ভবিষৎ প্রজন্মের কাছে এই সম্পর্কে কোন স্বদোত্তর দিতে পারবো না। কারন আমরা আসলে কিছুই করিনি প্রকৃতিকে ভালো রাখার জন্য। বরং আমরা শুধু চিন্তা করেছি নিজেদের একান্ত ভোগ বিলাস নিয়ে। শোষন এবং শাসন করেছি প্রকৃতিকে যেভাবে ইংরেজরাও শাসন করেনি আমাদের। আমরা প্রকৃতি রক্ষার কথা অনেকেই ভেবেছি , কিন্তু তার বেশির ভাগই ছিলো মনে মনে। কারন কার্যত ভাবে বাস্তবে আমরা কিছুই করিনি। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, গত এক যুগে কিছু সিজনাল আর কিছু স্থায়ী ফুল গাছ ছাড়া কোন বৃক্ষ রোপন করিনি আমি। কিন্তু এই আমার জন্যই প্রতি বছরে প্রায় শত বৃক্ষ কর্তন করা হয়েছে। শুধু যদি গাছও বাদ দেই কয়দিন নিজের পরিবেশ রক্ষার জন্য হাতে ঝাড়ু নিয়ে বের হয়েছি তা শুধুই কল্পনা , হ্যা এগুলো তো আমাদের কাজ না এগুলা নিচু জাতের মানুষকে দিয়ে প্রশাসন করাবে। আমার মতন এমন লোকের সংখ্যা আদমশুমারী করে বের করা লাগবে না, কারন প্রায় সবাই এমন। এখন যা করার তা তো করেই ফেলেছি, যা ক্ষতি হবার তা তো হয়েই গেছে। এই যে যা হয়ে গেল সেটা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের আগামী ঠিক করার প্রচেষ্ঠা চালাতে হবে। কারন পরিবেশকে ভালো রাখাটা জীবনেরই একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের যার যতটুকু সাধ্য আছে সেটাকে সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হবে প্রকৃতিকে ভালো ভাবে সংরক্ষন করার জন্য। আমাদের সকলকেই দায়িত্ববান হতে হবে এবং যত্নশীল হতে হবে।আমাদের সরকারকে জিজ্ঞেস করতে হবে তাদের এ নিয়ে পরিকল্পনা কি? এটাও পারলে চেয়ে নিতে হবে আইন হিসেবে একজন নাগরীক হিসেবে আমাদের কাজগুলো কি হবে? পারলে নাগরীকদেরও কিছুটা বাধ্যতামূলক সচেতনতা কার্যক্রমের আয়তায় আনতে হবে। আমরা নিজে থেকে সামনে না এগুলে একদিন হাজারটা ভোগ বিলাসের বস্তু এবং টাকা পয়সা বিলিয়েও পরিবেশের ভারসম্য আর ঠিক করতে পারবো না। সেরকম পরিস্থিতির আশায় বসে থাকাটা একজন বিবেকবান আধুনিক মানুষ হিসেবে কারুরই উচিৎ না! সরকার বা প্রশাসন কি করছে, কি করছে না তা নিয়ে কি আমরা বসে থাকবো? এই সরকার বা প্রশাসন আলাদা কোন কিছু না, এই গুলো আমাদেরকেই প্রতিনিধিত্ব করে। সে জন্য আমরা নিজেরা সচেতন হবো, তাহলে আমাদের পরিচালনা করা প্রশাসনও ঠিকঠাক কাজ করবে। একজন মানুষ হিসেবে প্রকৃতিকে হুমকির মুখে ফেলার জন্য আমরা প্রত্যেকেই সমান ভাবে দোষী, আমাদের ভোগ বিলাসের বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে সকালের দৈনিক পত্রিকাটার জন্যও যে ক্ষতিটা পরিবেশের হয়, তার দায় কোন ভাবেই আমরা এড়িয়ে যেতে পারবো না। পৃথিবীর এমন ক্রান্তিকালে এসে সবাই নিশ্চই এইটুকু বুঝতে পেরেছি , আমরা কতটা শোষন করেছি প্রকৃতিকে। ঢাকার বায়ু দূষণের মাত্রা প্রতিদিন এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্সের গণনা অনুযায়ী(AQI) ১৯৮ প্লাস থাকে, যা কিনা নির্দেশ করে প্রচন্ড স্বাস্থ্য ঝুঁকির এবং সেটার সতর্ক বার্তা নির্দেশ করে সকলকে ঘরে থাকার। ভাইরাসের সংক্রামন যেমন ক্ষতিকর ঠিক এমন বিষাক্ত বাতাস তার থেকেও হাজার গুনে মারাত্মক। একবার চিন্তায় রাখা উচিৎ এই বিষয় টাকেও, ইতিমধ্যে বিশুদ্ধ অক্সিজেন বিক্রি করা শুরু হয়ে গেছে। আমরা এরকম পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পাবো ঠিক তখনই যখন আমরা নিজেরা নিজেদের কৃত কর্মের দায়ভার মেনে নিয়ে প্রায়শ্চিত্তে নামবো। আশা রাখি এই বেপারে আমরা সবাই প্রকৃতিকে বাড়ির শিশুদের মতনই যত্ন করবো।করোনীয় কি ইতি মধ্যেই এই অনুসঙ্গে আমরা বুঝে গেছি। পরিবেশ নিয়ে একটা কবিতার মতন কিছু একটা লিখি, ~ ৷। উদ্ভব ।। ~ আলোয় বাতাসে পরিশোধনে এলো নির্মল প্রাণ সঞ্চারের পরিভ্রমন সেদিন থেকেই শুরু। বাতাসে আলোতে উৎসাহ পেয়ে, জন্মিলো গুল্মলতা। চারপাশের উৎকর্ষতায়, উদ্ভিদে রুপান্তর হয় তার। কম্পোনের প্রবলতায় মহাদেশ হয়, পলিগুলো ঢেউয়ের সংঙ্গে পাড়ি জমায়। এখন এখানে আমাদের বসতি হয়েছে, প্রকৃতির বুনে তোলা ভূমিতে। আলো বাতাস এখনো ব্যস্ত নিজেদের পরিভ্রমনে। কতটা তাদের শুদ্ধ, কতটা তাদের পরিশুদ্ধ খবর রেখেছি কি কেও?কেন নি:শ্বাসে কষ্ট হয়! দাবানলের রোষানলের চেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিদস্যু সম্রাজ্যবাদের নামে মরু করনেই ব্যতিব্যস্ত। ভোগ-বিলাসের কিছুটা ভাগ প্রকৃতিরও প্রাপ্য হিসাব-নিকাশ তবে সমান হউক যে যা প্রাপ্য।
হাসিব আহমেদ ২৯ মার্চ ২০২০
আমি কি আজ আমারদের পৃথিবীতে মুক্ত খোলা মুখে নি:শ্বাস নেবার অধিকারটুকুও হারিয়ে ফেললাম? স্পর্শ কি তাহলে ট্যাবু হয়ে যাবে? মাস্কের জন্য আসলে কাকে দোষ দিবো? অনেকদিনের প্রতিবাদ ছিল আমাদের মতন শহুরে পরিবেশ নিয়ে দু চার মিনিট সময় দেয়া মানুষদের। অনেকদিনের আশঙ্কা আজকে হরোর মুভির চিত্রনাট্য লিখে যাচ্ছে বাস্তবতার কালি দিয়ে। এই যে আজকে এরকম পর্যায়ে চলে আসাটা এর চর্চা টা তো একদিনে হয়নি, সেটা অনেকদিনের অবহেলার বহি:প্রকাশ। ঢিলটি মারলে যদি ফিরতি পাটকেল খেতে হয়, কি হবে আমি একটু না মানলে এরুপ অবিবেচনার দায়ভার তো অনেক কিছুই হবে। এই যে জলবায়ু , সেটা তো আমাদের দ্বারাই চরমভাবে নিগৃহিত। আচ্ছা এসব অনেকদিনের পুরোনো অনুযোগের কথা আবার নতুন করে বলা যাবে পরে। ধরেন আপনাদের প্রত্যেকের বাসায় যদি নাও থাকে, নিকট স্বজনদের ঘরে ছোট বাড়ন্ত বয়সের বাচ্চা নিশ্চই আছে। আর যাদের প্রতি আপনার একটা সুনির্দিষ্ট দায়বদ্ধতাও আছে। এই যে আজকের বিশ্ব পুরোটাই মাস্কে আর গ্লাভসে ঢাকা পরে গেছে, খোলা মুখে বাহিরে বের হবার সাহসটা বোধ হয় আর বেশিদিন আমরা পাবো না! আপনার আদরের সন্তান ফিল্টারে নি:শ্বাস নেয়াকে অবজ্ঞা করে আপনাকে প্রশ্ন করবে, কেন আজ আমাদেরকে মাস্ক পরতে হয়? কেন পৃথিবীর পরিবেশ এতটা দূষিত হলো? কেন জলবায়ু এতটা হুমকির মুখে? হয়তো আমরা প্রত্যেকেই তাদের এসব কেন হয়, কি কারনে হয় সব বুঝিয়ে বলতে পারবো। কারন আমাদের তো মুখে বলা ছাড়া আর কোন পথও খোলা নাই। কিন্তু যখন তারা আপনাকে প্রশ্ন করবে, এসবের বিরুদ্ধে সময় সুযোগ থাকা সত্বেও কেন সোচ্চার হওনি? তোমরা কেনো যত্নশীল হওনি এই পৃথিবীর এবং এর পরিবেশের প্রতি? অথবা তুমি নিজে কি করেছিলে পরিবেশ রক্ষার জন্য? আমাদের মধ্যে সিংহভাগ মানুষই ভবিষৎ প্রজন্মের কাছে এই সম্পর্কে কোন স্বদোত্তর দিতে পারবো না। কারন আমরা আসলে কিছুই করিনি প্রকৃতিকে ভালো রাখার জন্য। বরং আমরা শুধু চিন্তা করেছি নিজেদের একান্ত ভোগ বিলাস নিয়ে। শোষন এবং শাসন করেছি প্রকৃতিকে যেভাবে ইংরেজরাও শাসন করেনি আমাদের। আমরা প্রকৃতি রক্ষার কথা অনেকেই ভেবেছি , কিন্তু তার বেশির ভাগই ছিলো মনে মনে। কারন কার্যত ভাবে বাস্তবে আমরা কিছুই করিনি। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, গত এক যুগে কিছু সিজনাল আর কিছু স্থায়ী ফুল গাছ ছাড়া কোন বৃক্ষ রোপন করিনি আমি। কিন্তু এই আমার জন্যই প্রতি বছরে প্রায় শত বৃক্ষ কর্তন করা হয়েছে। শুধু যদি গাছও বাদ দেই কয়দিন নিজের পরিবেশ রক্ষার জন্য হাতে ঝাড়ু নিয়ে বের হয়েছি তা শুধুই কল্পনা , হ্যা এগুলো তো আমাদের কাজ না এগুলা নিচু জাতের মানুষকে দিয়ে প্রশাসন করাবে। আমার মতন এমন লোকের সংখ্যা আদমশুমারী করে বের করা লাগবে না, কারন প্রায় সবাই এমন। এখন যা করার তা তো করেই ফেলেছি, যা ক্ষতি হবার তা তো হয়েই গেছে। এই যে যা হয়ে গেল সেটা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের আগামী ঠিক করার প্রচেষ্ঠা চালাতে হবে। কারন পরিবেশকে ভালো রাখাটা জীবনেরই একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের যার যতটুকু সাধ্য আছে সেটাকে সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হবে প্রকৃতিকে ভালো ভাবে সংরক্ষন করার জন্য। আমাদের সকলকেই দায়িত্ববান হতে হবে এবং যত্নশীল হতে হবে।আমাদের সরকারকে জিজ্ঞেস করতে হবে তাদের এ নিয়ে পরিকল্পনা কি? এটাও পারলে চেয়ে নিতে হবে আইন হিসেবে একজন নাগরীক হিসেবে আমাদের কাজগুলো কি হবে? পারলে নাগরীকদেরও কিছুটা বাধ্যতামূলক সচেতনতা কার্যক্রমের আয়তায় আনতে হবে। আমরা নিজে থেকে সামনে না এগুলে একদিন হাজারটা ভোগ বিলাসের বস্তু এবং টাকা পয়সা বিলিয়েও পরিবেশের ভারসম্য আর ঠিক করতে পারবো না। সেরকম পরিস্থিতির আশায় বসে থাকাটা একজন বিবেকবান আধুনিক মানুষ হিসেবে কারুরই উচিৎ না! সরকার বা প্রশাসন কি করছে, কি করছে না তা নিয়ে কি আমরা বসে থাকবো? এই সরকার বা প্রশাসন আলাদা কোন কিছু না, এই গুলো আমাদেরকেই প্রতিনিধিত্ব করে। সে জন্য আমরা নিজেরা সচেতন হবো, তাহলে আমাদের পরিচালনা করা প্রশাসনও ঠিকঠাক কাজ করবে। একজন মানুষ হিসেবে প্রকৃতিকে হুমকির মুখে ফেলার জন্য আমরা প্রত্যেকেই সমান ভাবে দোষী, আমাদের ভোগ বিলাসের বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে সকালের দৈনিক পত্রিকাটার জন্যও যে ক্ষতিটা পরিবেশের হয়, তার দায় কোন ভাবেই আমরা এড়িয়ে যেতে পারবো না। পৃথিবীর এমন ক্রান্তিকালে এসে সবাই নিশ্চই এইটুকু বুঝতে পেরেছি , আমরা কতটা শোষন করেছি প্রকৃতিকে। ঢাকার বায়ু দূষণের মাত্রা প্রতিদিন এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্সের গণনা অনুযায়ী(AQI) ১৯৮ প্লাস থাকে, যা কিনা নির্দেশ করে প্রচন্ড স্বাস্থ্য ঝুঁকির এবং সেটার সতর্ক বার্তা নির্দেশ করে সকলকে ঘরে থাকার। ভাইরাসের সংক্রামন যেমন ক্ষতিকর ঠিক এমন বিষাক্ত বাতাস তার থেকেও হাজার গুনে মারাত্মক। একবার চিন্তায় রাখা উচিৎ এই বিষয় টাকেও, ইতিমধ্যে বিশুদ্ধ অক্সিজেন বিক্রি করা শুরু হয়ে গেছে। আমরা এরকম পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পাবো ঠিক তখনই যখন আমরা নিজেরা নিজেদের কৃত কর্মের দায়ভার মেনে নিয়ে প্রায়শ্চিত্তে নামবো। আশা রাখি এই বেপারে আমরা সবাই প্রকৃতিকে বাড়ির শিশুদের মতনই যত্ন করবো।করোনীয় কি ইতি মধ্যেই এই অনুসঙ্গে আমরা বুঝে গেছি। পরিবেশ নিয়ে একটা কবিতার মতন কিছু একটা লিখি, ~ ৷। উদ্ভব ।। ~ আলোয় বাতাসে পরিশোধনে এলো নির্মল প্রাণ সঞ্চারের পরিভ্রমন সেদিন থেকেই শুরু। বাতাসে আলোতে উৎসাহ পেয়ে, জন্মিলো গুল্মলতা। চারপাশের উৎকর্ষতায়, উদ্ভিদে রুপান্তর হয় তার। কম্পোনের প্রবলতায় মহাদেশ হয়, পলিগুলো ঢেউয়ের সংঙ্গে পাড়ি জমায়। এখন এখানে আমাদের বসতি হয়েছে, প্রকৃতির বুনে তোলা ভূমিতে। আলো বাতাস এখনো ব্যস্ত নিজেদের পরিভ্রমনে। কতটা তাদের শুদ্ধ, কতটা তাদের পরিশুদ্ধ খবর রেখেছি কি কেও?কেন নি:শ্বাসে কষ্ট হয়! দাবানলের রোষানলের চেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিদস্যু সম্রাজ্যবাদের নামে মরু করনেই ব্যতিব্যস্ত। ভোগ-বিলাসের কিছুটা ভাগ প্রকৃতিরও প্রাপ্য হিসাব-নিকাশ তবে সমান হউক যে যা প্রাপ্য।
Consulting Creed AAAAAAAA !
DDDDDDDDDDD & EEEEEEEEEE:
- Consulting Creed
- Consulting Creed
- Consulting Creed
+ Email : consultingcreed@aol.com
+ Zalo: +07444444444 (SMS) - AAAAA:
+ Consulting Creed
+ AAAAAAAAAAA
+ BBBBBBBBBBBB
